খুলনা প্রতিনিধিঃ বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি শুধু একজন সৈনিক ছিলেন না, ছিলেন জাতির ক্রান্তিকালে ধ্রুবতারার মতো নেমে আসা ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতার পর জাতি যখন চরম হতাশায় নিমজ্জিত,নেতৃত্ব যখন ছিলো দিশাহীন—ঠিক সেই সময়েই আবির্ভাব ঘটে জিয়াউর রহমানের। তাঁর নেতৃত্বে এক নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে যায়। বাংলাদেশের জনগণ তখন নতুন করে নিজেদের আত্মপরিচয় খুঁজে পেতে শুরু করে। তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল শক্তিশালী,ভাবনায় ছিল স্বচ্ছতা আর চিন্তায় ছিল দেশপ্রেম৷ তিনি বলেন বিগত সরকারের আমলে নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে পারে নাই। তারা প্রতিবার শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন হামলা এবং গ্রেফতারের শিকার হয়েছে। আজ নির্বিঘ্নে শহীদ জিয়াকে স্মরণ করে তার শাহাদাত বার্ষিকী পালন করছে বাংলার জনগন। তিনি আরও বলেন শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নে গড়া জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যদি ক্ষমতায় যেতে পারে দেশের মানুষের শিক্ষা,চিকিৎসা এবং খাদ্যর অভাব হবে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি হবে জনবান্ধন সরকার।
তিনি ৩০ মে মহান স্বাধীনতার ঘোষক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রূপসা উপজেলার রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর,ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর এবং নৈহাটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে মহিলা কলেজ মোড়,সুতালের বটতলা মোড়,৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে নতুনহাট বাজার,গাজী মেমোরিয়াল এবং কালীবাড়ি ও বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং খাবার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। এরপর তিনি শ্রীফলতলা ইউনিয়ন এবং আইচগাতী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
এসময় তার সাথে বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু,মোল্যা খায়রুল মোল্যা,জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি,বিএনপি নেতা এনামুল কবীর সজল,খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু,রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান,সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক,
সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা বিএনপি সদস্য শেখ আঃ রশিদ,মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম,নাজমুস সাকিব পিন্টু,আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম মোল্যা,হুমায়ুন কবীর,ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক এসএম আঃ মালেক,খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু,শরিফুল ইসলাম বকুল,শেখ আবু সাঈদ, সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান,মিকাইল ইসলাম, দিদারুল ইসলাম,শাহাবুদ্দিন ইজারাদার,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াছুর রহমান, আজিজুল ইসলাম নন্দু, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস,জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা বনি আমি সোহাগ,মাসুদ খান, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানাজ ইসলাম,উপজেলা মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক শারমিন আক্তার আখি,বিএনপি নেতা শামীম হাসান, সাবেক জেলা বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম রবি,ফ,ম মনিরুল ইসলাম,মাসুম বিল্লাহ,সৈয়দ মাহমুদ আলী, বিএনপি নেতা এ্যাডঃ তাফসিরুজ্জামান,যুবদল নেতা মুন্না সরদার, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, কবির শেখ,বশির হায়দার পল্টু,বাবুল শেখ,কামরুজ্জামান নান্টু,জহিরুল হক শারাদ,মিন্টু শিকারি,আরিফ মোল্যা, প্রমুখ।
Leave a Reply